মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
রাজবাড়ীতে আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের ১৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কালুখালী উপজেলার বনজ্যোৎনা বিপনন ভবনে এবি ব্যাংকের এজেন্ট শাখা উদ্ধোধন রাজবাড়ীতে নান্নু টাওয়ারে এবি ব্যাংকের এজেন্ট শাখা শুভ উদ্ধোধন আলীপুর ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে ক্রয়কৃত এ্যাম্বুলেন্স উদ্ধোধন করলেন এমপি কাজী কেরামত আলী আলীপুরে সাকো’র উদ্যোগে বিনামুল্যে গাভী বিতরণ রাজবাড়ীতে জাতীয় মৎস সপ্তাহ উপলক্ষ্যে সাংবাদিকের সাথে মতবিনিময় মেয়ের মৃত্যু খবর শুনে মায়ের মৃত্যু খানখানাপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘জমজ’ উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ রাজবাড়ীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘জমজ’কে আর্থিক অনুদান দিলেন এমপি-১ বহরপুর ইউনিয়নে আউট অব চিলডেন কর্মসূচীর অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

প্রণোদনা পেলে অলংকার রপ্তানিতে বড় সাফল্য আসবে

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯
  • ১৩৪৭ বার পঠিত

এত দিন যেসব উত্স থেকে ব্যবসায়ীরা সোনা পেতেন সরকার বলছে তা সঠিক না, তার সমাধান করতেই এ স্বর্ণনীতিমালা। এ নীতিমালা নিয়ে যাঁরা কাজ করেছেন তাঁদের মধ্যে আমিও একজন। মূলত সরকার চেয়েছে নির্ধারিত ডিলাররা সোনা আমদানি করবে এবং ব্যবসায়ীরা সঠিক উপায়ে সোনা পাবে। এতে করে একটি প্রতিযোগিতামূলক বাজার তৈরি হবে এবং যোগ্যরা লাভবান হবে।

এ নীতিমালার ফলে দেশের অলংকার রপ্তানির সম্ভাবনাও উজ্জ্বল হলো। অনেক আগে থেকে আমাদের একটি রপ্তানি নীতিমালা ছিল কিন্তু সেটি সময়োপযোগী ছিল না। সুতরাং সেটি সময়োপযোগী করা প্রয়োজন। আমরা যদি আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সোনা কিনে এনে আন্তর্জাতিক বাজারে আবার বিক্রি করি সে ক্ষেত্রে আমাদের তো লাভ করতে হবে। কিন্তু সরকারের নীতি সহায়তা না পেলে লাভ করা আমাদের জন্য কঠিন হবে। কারণ আমরা যখন ভ্যালু অ্যাড (মূল্য সংযোজন) করতে যাব অর্থাৎ সুন্দর গয়না তৈরি করব সে ক্ষেত্রে বড় অঙ্কের মজুরি খরচ পড়বে সেই সঙ্গে ওয়েস্টেজও আছে। আর অন্য যেকোনো পণ্যের চেয়ে সোনার ওয়েস্টেজের মূল্য অনেক বেশি। তাই আমরা যদি এ খরচ কমিয়ে আনতে না পারি সে ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারব না। সে কারণেই আমরা সোনা রপ্তানিতে নীতি সহায়তা কামনা করছি।

আমরা যদি আন্তর্জাতিক দরে সোনার কাঁচামাল এনে ভ্যালু অ্যাড করি। আর সরকার মজুরি ও ওয়েস্টেজ খরচ বাবদ আমাদের ৫০ শতাংশ প্রণোদনা দেয়, তাহলে রপ্তানি করে আমরা লাভবান হতে পারব।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে আমাদের দেশের স্বর্ণ কারিগররা হালকা ওজনের সোনার অলংকার তৈরিতে বিশ্বের সবচেয়ে দক্ষ। এমনকি বিশ্ব গোল্ড কাউন্সিলের মতে হাতের তৈরি গয়নার কারিগরদের ৮০ শতাংশ এ দেশের। ফলে দেশের এ সম্ভাবনাকে আমরা কাজে লাগাতে পারি। এ জন্য কারিগরদের ভালো মজুরিও দিতে হবে।

তাই সরকার যদি এ ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ প্রণোদনা পাঁচ বছর অব্যাহত রাখে তাহলে এ দেশের জুয়েলারি শিল্প আন্তর্জাতিক বাজারে অনেক ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে। আমরা অনেক দিন ধরে সরকারের কাছ থেকে নীতি সহায়তা চেয়ে আসছি। আমরা সহায়তা না পাওয়ায় রপ্তানিতে প্রতিবেশী ভারত ভালো করছে। অথচ তারা ভারী সোনার অলংকার তৈরি করতে পারে। আমরা হালকা সোনা তৈরি করে রপ্তানি করলে অনেক ভালো করতে পারব। প্রতিযোগিতায়ও টিকে থাকতে পারব।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

ads

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ রাজবাড়ী প্রতিদিন
themesba-lates1749691102