মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
রাজবাড়ীতে আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের ১৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কালুখালী উপজেলার বনজ্যোৎনা বিপনন ভবনে এবি ব্যাংকের এজেন্ট শাখা উদ্ধোধন রাজবাড়ীতে নান্নু টাওয়ারে এবি ব্যাংকের এজেন্ট শাখা শুভ উদ্ধোধন আলীপুর ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে ক্রয়কৃত এ্যাম্বুলেন্স উদ্ধোধন করলেন এমপি কাজী কেরামত আলী আলীপুরে সাকো’র উদ্যোগে বিনামুল্যে গাভী বিতরণ রাজবাড়ীতে জাতীয় মৎস সপ্তাহ উপলক্ষ্যে সাংবাদিকের সাথে মতবিনিময় মেয়ের মৃত্যু খবর শুনে মায়ের মৃত্যু খানখানাপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘জমজ’ উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ রাজবাড়ীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘জমজ’কে আর্থিক অনুদান দিলেন এমপি-১ বহরপুর ইউনিয়নে আউট অব চিলডেন কর্মসূচীর অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

মেয়ের মৃত্যু খবর শুনে মায়ের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১১ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৯৬ বার পঠিত

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্ট্রোক করে মা ও মারা যাওয়ার ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের রায়নগর গ্রামে।

করোনায় ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন আকলিমা খাতুন (৬০)। উপসর্গ নিয়ে আরেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তাঁর মা আলিয়া বেগম (৭৮)।

মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) সকালে আকলিমা মারা যান। মেয়ের দাফনের আগে খবরটি আলিয়া বেগম(৭৮) কে জানানো হয়। এরপর তিনিও স্ট্রোক করে মারা যান। পরে তাঁদের একসঙ্গে পাশাপাশি কবরে দাফন করা হয়।

মৃত আলিয়া বেগমের বাড়ি রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের রায়নগর গ্রাম। আলিয়া বেগমের স্বামীর নাম আকবর আলী মৃধা। মেয়ের নাম আকলিমা খাতুন (৬০)। আকলিমার স্বামীর নাম মোস্তাক আহমেদ।

প্রতিবেশী আল মামুন আরজু জানায়, আকলিমা খাতুন করোনায় আক্রান্ত হয়ে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অন্যদিকে করোনার উপসর্গ এবং বার্ধক্যজনিত জটিলতা নিয়ে মা আলিয়া বেগম রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ফরিদপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ১০টার দিকে আকলিমা মারা যান। মারা যাওয়ার পর তাঁর মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। তাঁর কবর খোঁড়ার কাজ চলছিল। মেয়ের মারা যাওয়ার খবর দেওয়ার কিছু সময় পর মা আলিয়া স্ট্রোক করে মারা যান। এরপর আরও একটি কবর খোঁড়া হয়।

বাদ আসর কাজীবাধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মা ও মেয়ের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাঁদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আকলিমা-মোস্তাক দম্পতির কোনো সন্তান ছিল না। মোস্তাক খুলনায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পরে তাঁরা রায়নগর গ্রামে বসবাস করতেন।

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রমজান আলী খান জানান, করোনায় আক্রান্ত মেয়ের পরিচর্যা করে মায়ের শরীরেও করোনার উপসর্গ দেখা দেয়। তিনিও চিকিৎসাধীন ছিলেন। মেয়ের মারা যাওয়ার পর দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা হয়। বাদ জোহর তাঁর জানাজা নামাজের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। কিন্তু বেলা ১টার দিকে মা মারা যান। পরে আরও একটা কবর খোঁড়া হয়। এক সঙ্গে জানাজা নামাজ শেষে পাশাপাশি কবরে তাঁদের দাফন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

ads

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ রাজবাড়ী প্রতিদিন
themesba-lates1749691102