শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন

সুজানগরের গাজনার বিলে অবৈধ বাঁশের বাঁধ ও সোঁতিজাল দিয়ে মাছ শিকার

তৌফিক হাসান, সুজানগর (পাবনা) উপজেলা সংবাদদাতা:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৬২০ বার পঠিত

পাবনার সুজানগরের ঐতিহ্যবাহী গাজনার বিলে সরকারের জলমহাল বন্দোবস্ত নীতিমালাকে উপেক্ষা করে অবৈধ বাঁশের বাঁধ ও সোঁতিজাল দিয়ে অবাধে মাছ শিকার করা হচ্ছে।

এতে শুষ্ক মৌসুমে বিলে মাছের আকাল দেখা দেওয়ার পাশাপাশি পানি প্রবাহ বিঘিœত হওয়ায় বিল পাড়ের জমিতে যথাসময়ে রবি ফসল আবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, বিশাল গাজনার বিলে ১২টি জলমহাল রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ওই সব জলমহাল উপজেলার ১২টি মৎস্যজীবী সমিতির মাঝে বন্দোবস্ত দিয়েছে। বন্দোবস্ত নীতিমালা অনুযায়ী উম্মুক্ত ওই সকল জলাশয়ে কোন প্রকার বাঁধ না দিয়ে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় মাছ শিকার করতে হবে। সেই সঙ্গে মা মাছ শিকার করা যাবেনা। কিন্তু মৎস্যজীবী সমিতি গুলো কোন প্রকার নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে বিলের ১০/১৫টি পয়েন্টে অবৈধ বাঁশের বাঁধ ও সোঁতিজাল দিয়ে ছেঁকে মাছ শিকার করছে।

বিলপাড়ের উলাট গ্রামের বাসিন্দা আলতাফ হোসেন বলেন, অবৈধ ওই সোঁতিজালে মা মাছের পাশাপাশি পোনা মাছ পর্যন্ত ধরা পড়ছে। এতে শুষ্ক মৌসুম আসার আগেই বিলে মাছের আকাল দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিলপাড়ের বোনকোলা গ্রামের কৃষক আব্দুল আলীম বলেন, অবৈধ ওই বাঁধের কারণে বিল থেকে দ্রæত পানি বের না হওয়ায় বিলপাড়ের জমিতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে চলতি রবি মৌসুমে ওই সকল জমিতে যথা সময়ে পিঁয়াজ, মাশকালাই, গম এবং বোরো ধানসহ অন্যান্য রবি ফসল আবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অঃদাঃ) সাইফুল ইসলাম বলেন, ইতিপূর্বে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রওশন আলীর নেতৃত্বে বিলে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু অবৈধ বাঁশের বাঁধ ও সোঁতি জাল অপসারণ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, শিগগিরই আবার অভিযান চালানো হবে। সেই সঙ্গে যে সকল সমিতি অবৈধভাবে বাঁশের বাঁধ ও সোঁতি জাল দিয়ে মাছ শিকার করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

ads

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ রাজবাড়ী প্রতিদিন
themesba-lates1749691102